বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী ও সচেতন নাগরিকদের প্ল্যাটফর্ম
পরিবর্তনের সময় এখনই। ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্ব আমাদের সবার।
বাংলাদেশ আজ এক ঐতিহাসিক মোড়ে দাঁড়িয়ে। জ্ঞান, যুক্তি আর দায়বদ্ধতার ভিত্তিতে যদি আমরা এখনই কণ্ঠ না তুলি, তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ চলে যাবে অন্যের হাতে। বাংলাদেশ ফরওয়ার্ড, এমন একঝাঁক বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী ও সচেতন নাগরিকের প্ল্যাটফর্ম, যারা বিশ্বাস করেন একটি জ্ঞানভিত্তিক, তথ্যনির্ভর ও দায়বদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব, এবং সেটা গড়তে হবে আমাদেরই হাতে।
সংবাদপত্রে প্রকাশনা
জাতীয় বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা
টকশো ও পডকাস্ট
চিন্তাশীল জনসম্পৃক্ততা
গোলটেবিল আলোচনা
বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক সংলাপ
প্রশিক্ষণ কর্মশালা
বিশ্লেষণী সক্ষমতা গড়া
সুযোগ আছে আজ। হারিয়ে গেলে আর ফিরবে না।
ইতিহাস আমাদের বারবার শিখিয়েছে, যে জাতি সময়মতো চিন্তাশীল নেতৃত্ব তৈরি করতে পারে না, সে পিছিয়ে পড়ে। বাংলাদেশের সামনে আজ যে সুযোগ আছে, তরুণ জনসংখ্যা, বাড়তে থাকা শিক্ষিত শ্রেণি, এবং পরিবর্তনের জন্য জনমানসে তৈরি হওয়া তাগিদ, তা হারানোর মতো নয়।
তথ্যের বিভ্রান্তি
ভুল তথ্যের দ্রুত বিস্তার সুস্থ, তথ্যনির্ভর জনআলোচনাকে দুর্বল করে দিচ্ছে।
খণ্ডিত প্রচেষ্টা
সচেতন মানুষ আছেন অনেকেই, কিন্তু সংগঠিত ও প্রমাণভিত্তিক একটি কণ্ঠের অভাব।
তরুণ শক্তির অব্যবহার
বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী, অথচ নীতি-আলোচনায় তাদের অংশগ্রহণ এখনও প্রান্তিক।
জবাবদিহিতার ঘাটতি
প্রমাণভিত্তিক নীতি ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি এখনও যথেষ্ট শক্তিশালী নয়।
চিন্তা থেকে কার্যকর পরিবর্তন, চারটি ধারায়
আমাদের কার্যক্রম শুধু কথায় সীমাবদ্ধ নয়, এটি বাস্তব উদ্যোগের এক ধারাবাহিক প্রয়াস।
তথ্য প্রচার ও জনসম্পৃক্ততা
সংবাদপত্র প্রকাশনা, টকশো, পডকাস্ট এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের মাধ্যমে জাতীয় বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা ও জনসম্পৃক্ততা তৈরি করা।
জ্ঞানভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন
সদস্যদের নীতিনির্ধারণী ও বিশ্লেষণী দক্ষতা বৃদ্ধি এবং তথ্য-যাচাই ও প্রমাণভিত্তিক চিন্তাধারার চর্চা।
নীতি উন্নয়ন
নীতিপত্র ও সুপারিশ প্রণয়ন, সংবাদ সম্মেলন আয়োজন, প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং নীতিবিষয়ক সংলাপ সংগঠিত করা।
সচেতনতা সৃষ্টি
সামাজিক, রাজনৈতিক ও নীতিগত বিষয়ে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা পরিচালনা এবং নাগরিকদের শিক্ষিত করা।
চারটি স্তম্ভে দাঁড়িয়ে আমাদের কাজ
বাংলাদেশ ফরওয়ার্ড এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে, যেখানে জনআলোচনা তথ্যনির্ভর, নীতিনির্ধারণ প্রমাণভিত্তিক, এবং নাগরিকরা নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণকারী।
দায়িত্বশীল তথ্য প্রচার ও জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে সুস্থ, তথ্যনির্ভর জনআলোচনার পরিবেশ তৈরি করা।
- সংবাদপত্রে প্রকাশনা
- টেলিভিশন টকশোতে অংশগ্রহণ
- পডকাস্ট নির্মাণ ও প্রচার
সদস্যদের মধ্যে নীতি-বিশ্লেষণ, তথ্য-যাচাই এবং প্রমাণভিত্তিক চিন্তার দক্ষতা তৈরি করা।
- প্রশিক্ষণ কর্মশালা
- তথ্য-যাচাই চর্চা
- প্রমাণভিত্তিক চিন্তা
গবেষণা, নীতিপত্র এবং কাঠামোগত সংলাপের মাধ্যমে সুচিন্তিত জনস্বার্থমূলক নীতি প্রণয়নে সহায়তা করা।
- নীতিপত্র প্রণয়ন
- গোলটেবিল আলোচনা
- নীতি সংলাপ ও প্রতিযোগিতা
প্রচারণা, প্রকাশনা ও জনসভার মাধ্যমে সামাজিক, রাজনৈতিক ও নীতিগত বিষয়ে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া।
- জনসচেতনতামূলক প্রচারণা
- প্রকাশনা
- জনসভা ও সংলাপ
এই দায়িত্ব একার নয়, এই দায়িত্ব সবার।
যাঁরা অপেক্ষা করতে করতে ক্লান্ত, তাঁদের জন্য
আমাদের সদস্যরা আসেন ভিন্ন ভিন্ন পেশা থেকে, কিন্তু একটি অভিন্ন লক্ষ্যে একত্র হন, একটি তথ্যনির্ভর, দায়বদ্ধ ও ভবিষ্যৎমুখী বাংলাদেশ।
বুদ্ধিজীবী, লেখক, সাংবাদিক ও থিংক-ট্যাংক সদস্য
যাঁরা মতামত ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে জাতীয় আলোচনায় অবদান রাখতে চান।
সাধারণ পেশাজীবী সদস্য
যেকোনো পেশার রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে সচেতন ব্যক্তি।
দাতা ও পৃষ্ঠপোষক সদস্য
যাঁরা আর্থিক ও কাঠামোগত সহায়তার মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে চান।
কাঠামোবদ্ধ কমিটি, সম্মিলিত প্রচেষ্টা
বাংলাদেশ ফরওয়ার্ড পরিচালিত হয় কয়েকটি কার্যকরী কমিটির মাধ্যমে। সদস্যরা তাঁদের আগ্রহ ও দক্ষতা অনুযায়ী এই কমিটিগুলোতে সরাসরি অবদান রাখতে পারেন।
চিন্তা, বিশ্লেষণ ও আপডেট, এক জায়গায়
এই বিভাগে থাকছে বাংলাদেশ ফরওয়ার্ডের সাম্প্রতিক কার্যক্রমের খবর, সদস্যদের নীতি-বিশ্লেষণ, মতামত-নিবন্ধ এবং আমাদের আয়োজিত গোলটেবিল আলোচনা ও প্রশিক্ষণ কর্মশালার প্রতিবেদন।
যোগ দিন বাংলাদেশ ফরওয়ার্ডে
আপনি যদি একজন লেখক, সাংবাদিক, গবেষক, একটিভিস্ট, উদ্যোক্তা কিংবা যেকোনো পেশার একজন সচেতন নাগরিক হন, বাংলাদেশ ফরওয়ার্ড আপনার জন্যই। এখানে যোগ দেওয়ার অর্থ একটি বৃহত্তর আন্দোলনের অংশ হওয়া, যেখানে আপনার চিন্তা, দক্ষতা ও কণ্ঠস্বর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে সরাসরি অবদান রাখবে।
আজই সদস্যপদ গ্রহণ করুন। কাল আরও দেরি হয়ে যেতে পারে।

